• বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

চাটখিলে রাস্তার বেহাল দশা, দূর্ভোগে শিক্ষার্থী সহ হাজারো মানুষ

স্বাধীন ভোর ডেস্ক / ৯৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৩

চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদ পুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ও যষোড়া গ্রামের একমাত্র চলাচলের রাস্তার বেহাল অবস্থা । এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই গ্রামের হাজারো মানুষ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা।জানা যায়,উপজেলার ৫নং মোহাম্মদ পুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়ার দোকানগুলো থেকে যষোড়া দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত নির্মিত রাস্তাটি এই এলাকার বাসিন্দাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । যষোড়া গ্রামের বাসিন্দাদের অধিকাংশের একমাত্র রাস্তা। রাস্তার পাশে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুইটি মাদ্রাসা। প্রায় ১৫ বছর পূর্বে এ রাস্তাটি পাকা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন রাস্তাটির বেশিরভাগ স্থানে খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই এ রাস্তা দিয়ে আর চলাচল করা যায় না।সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, এ রাস্তার মাঝে অসংখ্য ছোট বড় খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়েছে।বোঝার উপায় নেই যে রাস্তাটি এক সময় পাকা ছিল। অনেক জায়গায় রাস্তার দু’ধারের মাটি সরে গিয়ে রাস্তা ভেঙে পড়েছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যানগাড়ি ও মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে উপজেলা সদরে চিকিৎসা নিতে যাওয়া অসুস্থ রোগীদেরকে। বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।অটোচালক মতিনের বাড়ি যষোড়া । অটো চালিয়েই চলে তার সংসার। রাস্তা নিয়ে তার অভিযোগ, উপজেলার কত রাস্তা ঠিক হচ্ছে, কিন্তু আমাদের রাস্তা হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, ভাঙা রাস্তার কারণে অটো বেশিরভাগ সময়ই টেনে নিতে হয়।হারুন রশীদ ,বাহার, আবুল বাসার ,ইয়াসিন পাটোয়ারীসহ স্থানীয়রা জানায়, যষোড়া গ্রামের বাসিন্দাদের অধিকাংশের একমাত্র রাস্তা হলো এটি। আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। প্রায় ১৫ বছর পূর্বে এ রাস্তাটিতে পাকা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি মেরামত না করায় রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। । এমনকি গ্রামের মধ্যে রিক্সাওয়ালারাও আসতে চায় না।এ বিষয়ে মোহাম্মদ পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুল বলেন, আমি এ রাস্তাটির বেহাল দশার অবস্থা দেখেছি। উপজেলায় এই রাস্তার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকোশলী রাহাত পাটোয়ারী বলেন, আমি এই উপজেলা নতুন এসেছি। এখনও সকল রাস্তার বিষয়ে অবগত নই।তবে আমি বিষয়টি দেখব। সার্ভেয়ার ফিরোজ বলেন, রাস্তাটির অবস্থা সম্পর্কে আমি জানি।রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী। এখন পর্যন্ত মেরামতের জন্য কোন বাজেট বরাদ্দ হয়নি।এলাকার সাধারণ জনগণ বললেন, বিগত নির্বাচনকালীন জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই।প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা বললেন, আমাদের চলাচল উপযোগী একটা ভালো রাস্তা চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ