• রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১১:২২ পূর্বাহ্ন

কুবিতে শেখ রাসেল দিবস পালিত

স্বাধীন ভোর ডেস্ক / ৮৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৩

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযথ মর্যাদায় দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত হয়েছে।আজ বুধবার সকাল ১০.৩০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন’র নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়।পরবর্তীতে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপাচার্য মহোদয় জন্মবার্ষিকীর কেক কাটেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, শেখ রাসেল দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মুহম্মদ আহসান উল্যাহ, ছাত্রপরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহা. হাবিবুর রহমান, ডিনবৃন্দ, প্রক্টর, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অত:পর উপস্থিত সবাইকে নিয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন করেন প্রফেসর ড. আবদুল মঈন। এর আগে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে চারটি বিদ্যালয় হতে ৯০ জন শিশু অংশগ্রহণ করে।পরবর্তীতে প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নং কক্ষে সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল মঈন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানার সাথে জার্মাানীতে চলে যাওয়ার কথা ছিল শেখ রাসেলের। সেদিন চলে গেলে তিনি বেঁচে যেতেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হায়নার দল বাচ্চা শিশু শেখ রাসেলকেও হত্যা করেছে। শেখ রাসেলের মধ্যে ছিল এক মহৎ আদর্শ। আজ শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে শোষিত মানুষের নেতা হতেন। তিনি শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা স্বপ্ন দেখো, দেশকে ভালবাসো এবং দেশের জন্য যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন তাঁদের সম্মান করো।অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নাসিম আখতার বলেন, শেখ রাসেলের মধ্যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, চেতনা ও দায়িত্ববোধ ছিল। নব প্রজন্মের মধ্যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, চেতনা ও দায়িত্ববোধ থাকলে তারা খুব সহজেই সাফল্যের শিখরে পৌঁছবে। শেখ রাসেলের স্বভাব ছিল বন্ধুসুলভ। শেখ রাসেলের কাজের মধ্যে ছিল ইতিবাচকতা। দেশে ইতিবাচকতা ছড়িয়ে পড়লে দেশের উন্নয়ন হবে।আলোচনা সভা শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরষ্কার প্রদান করা হয়। পুরষ্কার প্রদান শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর ড. মুহম্মদ আহসান উল্যাহ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ