• বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

এদেশের মানুষ আর ধোকা খেতে চায় না -ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব

স্বাধীন ভোর ডেস্ক / ২৪০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৩

জামালপুর প্রতিনিধি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, অতীতে যারা সরকার ও দেশ পরিচালনা করেছে এবং বর্তমানে যারা করছে এদের ব্যর্থতার কারনেই আজকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উত্থান হয়েছে। এদেশের মানুষকে বার বার আঘাত করা হয়েছে ধোকা খেয়েছে, এদেশের মানুষ আর ধোকা খেতে চায় না। এখন তাদের ঠিকানা চাই, শান্তি, নিরাপত্তা চাই। কোথায় গেলে শান্তির ঠিকানা পাওয়া যাবে সেদিকে মানুষ যেতে চায়। বুধবার বিকেলে শহরের ফৌজদারী মোড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামালপুর জেলা শাখা আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্যে মহাসচিব এসব কথা বলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি রোধ করে জনদুর্ভোগ লাঘব, রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহাসচিব আরও বলেন, এ দেশের মানুষ আজ অস্বস্থিতে আছে, জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে দেশের মানুষে মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই নির্বাচন কমিশনের উপর মানুষের আস্থা নেই। শক্ত একটা নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে এবং জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি ডা. সৈয়দ ইউনুস আহমাদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা সুলতান মাহমুদ সিরাজির সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার সভাপতি মামুনুর রশিদ সিদ্দিকী, জামালপুর জেলা শাখার সহসভাপতি মুফতি মোস্তফা কামাল, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি সালেহ আহমেদ প্রমুখ।সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামালপুর জেলা, সদর ও বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

One response to “এদেশের মানুষ আর ধোকা খেতে চায় না -ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব”

  1. Nurulkabir says:

    উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনাকেই প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। এম এ মোতালেব

    নুরুল কবির সাতকানিয়া চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

    সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার জন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উন্নয়ন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে সাড়ে ১৪ বছরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। চলমান এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার সরকারের কোনো বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে, জননেত্রী শেখ হাসিনাকেই প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।

    রোববার (৮ অক্টোবর) দুপুরে লোহাগাড়া উপজেলা পাবলিক হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সাম্প্রতিক বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো মানুষের মাঝে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সৌজন্যে ঢেউটিন ও চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন এম এ মোতালেব।

    বৈশ্বিক মহামারী করোনা সহ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃঢ় ভূমিকায় বাংলাদেশের জনগণের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হয়েছে জানিয়ে সাতকানিয়া উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মোতালেব বলেন,
    ঘাতকরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করে এদেশ থেকে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে চিরতরে মুছে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে একটি রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। নৌকা মার্কায় জনগণ ভোট দেওয়ার কারণেই বঙ্গবন্ধু কন্যা বারবার ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে উন্নয়ন হয়েছে।বিশ্বকে তাক লাগিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশের সুনাম হয়। বাংলাদেশ পুরস্কৃত হয়।

    লোহাগাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রিদওয়ানুল হক সুজনের সভাপতিত্বে উদ্বোধন করেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন হীরু।

    এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও বড়হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিজয় কুমার বড়ুয়া, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য শহিদুল কবির সেলিম, লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মিন্টু, পদুয়া ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রিয়াদ ও নির্ঝর বড়ুয়া জয় প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ