নীলফামারীতে বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল, ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক গণের সাথে সিভিল সার্জনের মত বিনিময়

স্বাধীন ভোর ডেস্ক / ৯৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার:
রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ১১ টার সময় নীলফামারী সদরে ইপিআই ভবনের দ্বিতীয় তলায় সভাকক্ষে নীলফামারী জেলার বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল, ও ডায়াগনস্টিক ,সেন্টারের মালিকগণের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার মো: হাসিবুর রহমান। এ ব্যাপারে ডাক্তার মো:হাসিবুর রহমান সিভিল সার্জন নীলফামারী বেসরকারি ক্লিনিক এবং হাসপাতাল ডায়গনিক সেন্টারে মালিকদের কে জানান, যারা লাইসেন্স পেয়েছেন তাদেরকে অবশ্যই হাল নাগাদ সরকারি লাইসেন্স নবায়ন ফি চালানোর মাধ্যমে জমা দিয়ে চালান কপি সংরক্ষণ হবে। এছাড়া পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স (ক্লিনিক ও হাসপাতালের) জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চুক্তিপত্র আর্থিক সনদ ভিত্তিক সংরক্ষণ করতে হবে ও অনলাইন করার সময় আপলোড করতে হবে। আর যারা এখনো লাইসেন্স পান নাই তাদেরকে দ্রুত কাগজপত্র ঠিক করে লাইসেন্সের অনলাইন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শুধু লাইসেন্সের জন্য অনলাইনের আবেদন করে চুপচাপ থাকলে হবে না, অনলাইন স্ট্যাটাস আপডেট করতে হবে। অনলাইনে এপ্লিকেশন স্ট্যাটাস চেক করে যদি কোন কাগজপত্র ঘাটতি থাকে তবে তা সংগ্রহ করে পুনরায় অনলাইন করে আপডেট করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে পরিবেশ ছাড়পত্র ও নারকটিক লাইসেন্সের আবেদন কপি উক্ত অফিস কর্তৃক গৃহীত হইল ডকুমেন্ট হলে চলবে আর নবায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও নারকটিক লাইসেন্স ছাড়া নবায়ন করা যাবে না। ইহা ছাড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কোয়ালিটি কন্ট্রোল কমিটি, ইনফেকসাস কমিটি, ইন্টারনাল অডিট কমিটি গঠন ও নিয়মিত সভা হয় তার কপি দেখাতে হবে। সভাপতি মহোদয় পরিদর্শনের সময় এই সমস্ত কাগজ যাচাই করবেন বলে তিনি জানান। বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মালিকগণ এই সকল ব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জেলা ও উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি তার জেলা উপজেলা সকল প্রতিষ্ঠানের সহিত এই সকল সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। ব্লাড ক্রসম্যাচিং ও ব্লাড স্ক্রিনিং এর ব্যাপারে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়, এখন থেকে ব্লাড ক্রস ম্যাচিং ও ব্লাড স্ক্রিনিং লাইসেন্স ছাড়া কোন ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর ব্লাড ক্রসম্যাচিং ও ব্লাড স্ক্রিনিং করা যাবে না। প্রয়োজনে সরকারি হাসপাতাল এ ক্রসম্যাচিং ও ব্লাড স্কেলিং করতে হবে। যদি কেউ তার প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ব্লাড ক্রসম্যাচিং ও ব্লাড স্ক্রিনিং করতে চান তাহলে অবশ্যই নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন বিভাগ, শাহাবাগ, ঢাকা হতে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। সিভিল সার্জন অফিস থেকে লাইসেন্স/লাইসেন্সে নবায়নের ক্ষেত্রে পরিদর্শন প্রতিবেদন ইন্সপেকশন ডান করা হয়ে গেলে আর সিভিল সার্জন অফিসে কোন কাজ থাকবে না। পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়ন এর কাজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল শাখায় যোগাযোগ করতে হবে। ইন্সপেকশন ডান থাকলেই ব্যবসা করা যাবে না অবশ্যই লাইসেন্স নিজ উদ্যোগে গ্রহণ করতে হবে লাইসেন্স প্রদর্শন সাপেক্ষে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। সিজার বা অপারেশনের সময় অবশ্যই এমবিবিএস ডাক্তার ব্যতীত অন্য কেউ অ্যাসিস্ট করতে পারবে না। একই সার্জন নিজে অপারেশন ও অ্যানেস্ট্রেসিয়া দিতে পারবে না। সিজারের সময় অবশ্যই কমপক্ষে তিনজন ডাক্তার বাধ্যতামূলক থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে যে কোনো সময় ক্লিনিক, হাসপাতাল এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ