• শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন

চেয়েছিলাম থানা পেলাম পুলিশ ফাঁড়ি: বেনজীর আহমেদ এমপি

স্বাধীন ভোর ডেস্ক / ৮৬ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশের সময় শুক্রবার, ২ জুন, ২০২৩

মোঃ রফিকুল ইসলাম 
ধামরাই(ঢাকা) প্রতিনিধি
চেয়েছিলাম থানা পেলাম পুলিশ ফাঁড়ি। বললেন ঢাকা-২০ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেনজীর আহমদ। তিনি বলেন, ‘বৃটিশ আমলের থানাটি বর্তমান যেখানে অবস্থান সেটি উপজেলার এক প্রান্তে। সেখান থেকে বিশাল আয়তনের মধ্যে জনগণকে দ্রত সেবা দেওয়া পুলিশের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। তাই কুশুরাতে আরেকটি থানা করার প্রস্তাবনা ছিল। কিন্তু সেটা না হওয়ায় আপাতত কুশুরা ইউনিয়নের বৈন্যা গ্রামে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আরেকটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’তিনি আরও বলেন, একযুগেরও বেশি সময় ধরে দাবি করে আসছিলাম ধামরাইয়ের কুশুরাতে একটি নতুন থানা করার। আমি নবম জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নতুন থানা করা জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করে আসছিলাম। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন প্রস্তাবিত থানার ভবন নির্মাণের ৯৮ শতাংশ খাস জমি ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট পরিদর্শন করে গেছেন। সেখানে প্রস্তাবিত ‘কুশুরা থানা’ হিসেবে একটি সাইনবোর্ডও লাগানো হয়েছিল। একাধিকবার বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তদন্তও করেছেন। কিন্তু অদ্যাবধি তা বাস্তবায়ন হয়নি। অবশেষে থানার পরিবর্তে মিলল একটি পুলিশ ফাঁড়ি।সংশ্লিষ্ট্য সূত্রে জানা গেছে, এই পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্বপালন করবেন একজন এসআই, ও আটজন কনস্টেবল। এ উপলক্ষে বৈন্যা নবজাগরন সংঘের ঘরটি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সংঘের মাঠটি সমতলের কাজ চলছে। যেখানে পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন করা হবে সেটির প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে কাওয়ালীপাড়া বাজার পুলিশ তদন্তকেন্দ্র। এ তদন্তকেন্দ্র থেকে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা হয় চৌহাট, আমতা ও বালিয়া ইউনিয়ন।অপরদিকে ধামরাই উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ প্রায় ২০ বছর ধরে ধামরাই উপজেলার কুল্লা, রোয়াইল ও সূয়াপুর ইউনিয়নের জন্য একটি পুলিশ ফাঁড়ি করার দীর্ঘদিনের দাবি। এ নিয়ে কুল্লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কালিপদ সরকার ও সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান সোহরাব উপজেলা আইনশৃংখলা সভায় একাধিকবার দাবি করে আসছিলেন।কিন্তু সেটা না হয়ে একটি তদন্তকেন্দ্রের কিছু দূরত্বে নতুন পুলিশ ফাঁড়ি করা হচ্ছে জেনে তারা বলেন, ‘পুলিশ ফাঁড়ির দরকার ছিল আমাদের তিনটি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থলে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শ্রীরামপুর, ঢুলিভিটা, কুল্লা, জয়পুরা ও সূতিপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে সূতিপাড়া, সূয়াপুর, নান্নার, রোয়াইল ও কুল্লা ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে পাঁচটি পাকা সড়ক মিলিত হয়েছে কুল্লা ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে ফোর্ডনগর হয়ে সাভার ও রোয়াইল ইউনিয়নের খড়ারচর হয়ে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায় প্রবেশদার গনবসতি।এসব সড়কে প্রায়ই ডাকাতি, ছিনতাই, গরু চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড চলে আসছে। তাই এলাকার জনস্বার্থে তিনটি ইউনিয়নের জন্য দক্ষিণ এলাকায় একটি পুলিশ ক্যাম্প দাবি করে আসছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটা পেলাম না। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন বলেন, সম্প্রতি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ মাদকের কারবার বেড়ে গেছে। এসব নির্মূলে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের কুল্লা, রোয়াইল ও সূয়াপর ইউনিয়নের জন্য আরেকটি পুলিশ ফাঁড়ির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ